
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় ২৬ ডিসেম্বর সকালে উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটেছে, যার ফলে নারী ও শিশুসহ ৪ জন আহত হয়েছেন। বিস্ফোরণে মাদ্রাসার একতলা ভবনের পশ্চিম পাশের দুটি কক্ষের দেয়াল ধসে যায় এবং আশপাশের ভবন ও জানালার কাঁচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে ককটেল, পাইপ বোমা, শর্টগানের গুলি, রাসায়নিক পদার্থ ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া হাতুড়ি, বৈদ্যুতিক ড্রিল, হ্যান্ডকাপ, স্পাই ক্যামেরা, বিভিন্ন ধর্মীয় বই, প্লাস্টিকের পুরুষাঙ্গ, সেক্স জেল, ওয়্যারলেস চার্জার ও রিমোট কন্ট্রোল চাবির রিংও পাওয়া গেছে। পরে উদ্ধারকৃত ককটেল ঝিলমিল এলাকার ফাঁকা স্থানে নিষ্ক্রিয় করা হয়।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল আলম জানিয়েছেন, ক্রাইম সিন ইউনিট ও বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল এখনও ঘটনাস্থলে কাজ করছে এবং বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতদের মধ্যে ছিলেন সিএনজিচালক জাকির হোসেন (৪৫), যিনি মাথায় আঘাত পেয়েছেন। এছাড়া মাদ্রাসার শিক্ষক আলামিনের দুই ছেলে উমায়েদ (১০) ও আবদুল্লাহ (৮) এবং মেয়ে রাবেয়া (৬) আহত হয়েছেন।
মাদ্রাসার ভবনটি ২০২২ সালে নির্মাণ শেষ হয় এবং মুফতি হারুন নামে একজন ব্যক্তি মাদ্রাসা পরিচালনার জন্য এটি ভাড়া নিয়েছিলেন। বিস্ফোরণে ভবনের আসবাবপত্র ও দেয়ালের অংশ ধ্বংস হয়েছে।
এ ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসন ঘটনাস্থল নিরাপদ ও কার্যক্রমের উপর কড়া নজর রাখছে।
তথ্যসূত্র: যুগান্তর



