আইন ও অপরাধসারাদেশ

টিপু হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী আ. লীগ নেতা ওমর ফারুক: র‍্যাব

আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপুকে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক বলে জানিয়েছেন র‍্যাব।

শনিবার সকালে, রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাহিনীটির মুখপাত্র খন্দকার আল-মঈন আরো জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ওমর ফারুকসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

১ এপ্রিল রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া অন্য তিনজন হলেন- নাসির হোসেন ওরফে কিলার নাসির, সালেহ সিকদার ও পলাশ।

র‍্যাব মুখপাত্র জানান, মুগদা, শাহজাহানপুর ও মিরপুর এলাকা থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডের সময় নজরদারির কাজে ব্যবহার করা মোটরসাইকেল এবং হত্যার জন্য দেয়া তিন লাখ ৩০ হাজার টাকা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

হত্যাকাণ্ড দেশে হলেও তার নিয়ন্ত্রণ দুবাইয়ে হয়েছে দাবি করে র‍্যাব মুখপাত্র বলেন, দেশ থেকে কিলার নাছির, কাইল্লা পলাশসহ আরো কয়েকজন টিপুর অবস্থান সম্পর্কে বেশ কয়েক দিন ধরে মুসার কাছে তথ্য প্রেরণ করত। ঘটনার দিন সন্ধ্যার পর কিলার নাছির আনুমানিক চারবার টিপুর অবস্থান সম্পর্কে মুসাকে অবহিত করে।

২০১৩ সালে রাজধানীর গুলশানে শপার্স ওয়ার্ল্ডের সামনে যুবলীগ নেতা মিল্কী হত্যাকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তার চারজনই মিল্কীর সহযোগী ছিলেন। মিল্কী হত্যার সঙ্গে টিপু জড়িত ছিলেন বলে তারা সন্দেহ করতেন। মিল্কী হত্যার মামলার টিপুর নামও দেন তারা। কিন্তু বিচারিক কার্যক্রমে টিপুর নাম বাদ পড়ায় গ্রেপ্তারদের মনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। টিপু হত্যা পরিকল্পনায় এই বিষয়টিও কাজ করেছে। মিল্কী হত্যার প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিলো তারা।

প্রসঙ্গত, ২৪ মার্চ রাতে ঢাকার শাহজাহানপুরের আমতলী এলাকার রাস্তায় দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত হন আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপু। ওই সময় গাড়ির কাছেই রিকশায় থাকা বদরুন্নেছা কলেজের শিক্ষার্থী সামিয়া আফনান প্রীতিও গুলিতে নিহত হন। আহত হন টিপুর গাড়ি চালক মুন্না।

এ ঘটনায় টিপুর স্ত্রী ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফারহানা ইসলাম ডলি শাহজাহানপুর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

এসএ

এই বিভাগের অন্য খবর

Back to top button