
জুয়া প্রতিরোধ আইন-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। নতুন এই আইনে প্রচলিত জুয়ার পাশাপাশি অনলাইন জুয়া, বাজি, ম্যাচ ফিক্সিং ও স্পট ফিক্সিংসহ বিভিন্ন ধরনের জুয়া-সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পরে কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতিক্রমে বিলটি পাস হয়।
এর আগে বিলটির ওপর আনা কয়েকটি সংশোধনী প্রস্তাব নিয়ে সংসদে ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়।
গত ২৩ জুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিলটি সংসদে উত্থাপন করলে তা পরীক্ষা করে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আইন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
পাস হওয়া আইনে জুয়া, অনলাইন জুয়া, বাজি বা বেটিং, ম্যাচ ফিক্সিং ও স্পট ফিক্সিংসহ মোট ২৪ ধরনের কর্মকাণ্ডকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। অপরাধের ধরন অনুযায়ী ১৪ ধরনের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
এছাড়া ব্যাংক বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে জুয়ার লেনদেন করলে তা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। একইভাবে অ্যাপ, ওয়েবসাইট বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে জুয়ার আয়োজন বা অংশগ্রহণও নতুন আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা
