
মানবন্দরে সরকারি কাজে বাধা ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জামিন পেয়ে কারামুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর জেলগেটে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
এ সময় আখতারুজ্জামান বলেন, ‘সত্যের রাজনীতি কখনো পরাজিত হবে না। ন্যায়ের রাজনীতি কখনো পরাজিত হবে না। সময় লাগতে পারে, কিন্তু চূড়ান্ত জয় সত্যের হবেই হবে, ন্যায়ের হবেই হবে।’
নিজের গ্রেপ্তার, রিমান্ড ও জিজ্ঞাসাবাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের ইয়াহিয়া খান তাঁদের ঠেকাতে পারেননি, এখন ডিবি-পুলিশ কীভাবে ঠেকাবে?
আখতারুজ্জামান আরও বলেন, ‘আমরা আল্লাহর পথে আছি, আমরা আল্লাহর শাসন কায়েম করার পক্ষে আছি, আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টির পক্ষে আছি।’
বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তিনি বলেন, ‘আমরা এ দেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, স্বাধীন বাংলাদেশের চেতনা বাস্তবায়ন করার পক্ষে আছি। ইনশাআল্লাহ, আমরা সামনে এগিয়ে যাব। দোয়া করবেন আমার জন্য, আমরা যেন জনগণের পাশে থাকতে পারি। জনগণের অধিকারের আন্দোলনে থাকতে পারি।’
মুক্তির পর তাঁকে দেখতে আসা নেতাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আজকে এখানে আমার ভাইয়েরা অত্যন্ত কষ্ট করে এসেছেন। আমি তাঁদের কাছে অত্যন্ত কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। উনারা আজকে আমার শক্তি। জামায়াতের ভাইয়েরা আসাতে আজকে আমি যে শক্তি পেয়েছি, ইনশাআল্লাহ, আমাদের প্রতিবাদ আরও অব্যাহত থাকবে।’
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে আলোচনা করে ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানাবেন বলেও উল্লেখ করেন আখতারুজ্জামান। তিনি বলেন, জামায়াতের আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁর নির্দেশনা নিয়ে যা সত্য, তা গণমাধ্যমকে জানাবেন। তবে এর আগে দলের প্রধানের নির্দেশনা প্রয়োজন।
তথ্যসূত্র: বার্তা বাজার



