ধর্ম
প্রধান খবর

রমজানের প্রথম ১০ দিন যে দোয়া পড়বেন

পবিত্র রমজান মাস তিনটি ভাগে বিভক্ত-রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত। ইসলামী বর্ণনা অনুযায়ী, রমজানের প্রথম ১০ দিন রহমতের, দ্বিতীয় ১০ দিন মাগফিরাতের (ক্ষমা) এবং শেষ ১০ দিন জাহান্নাম থেকে নাজাতের জন্য নির্ধারিত।

হাদিসের বর্ণনা

হজরত সালমান ফারসি (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, রাসূল (সা.) শাবান মাসের শেষ দিনে সাহাবিদের উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে বলেন-রমজান এমন একটি মাস, যার প্রথম অংশ রহমত, মধ্যবর্তী অংশ মাগফিরাত এবং শেষ অংশ জাহান্নাম থেকে মুক্তি।
(সহিহ ইবনে খুজাইমা, হাদিস: ১৮৮৭)

দোয়া কবুলের সুসংবাদ

রমজান মাসে মুমিনদের জন্য বিশেষ সুসংবাদ হলো-দোয়া কবুল হওয়া। মহানবী (সা.) বলেন, তিন ব্যক্তির দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না:
১. ন্যায়পরায়ণ শাসক
২. রোজাদার-যতক্ষণ না সে ইফতার করে
৩. মজলুম ব্যক্তি
(জামে আত-তিরমিজি, হাদিস: ৩৫৯৮)

দোয়া ইবাদতের মূল। তাই ইবাদত পরিপূর্ণ করতে এবং বিশেষ সময়ের বরকত লাভে বেশি বেশি দোয়া করা সুন্নত।

রহমতের দশকে করণীয় দোয়া

রমজানের প্রথম ১০ দিন যেহেতু রহমতের, তাই এ সময় আল্লাহর কাছে রহমত ও ক্ষমা প্রার্থনা করা উত্তম।

দোয়া

আরবি:
وَقُل رَّبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ وَأَنتَ خَيْرُ الرَّاحِمِينَ

উচ্চারণ:
ওয়া কুর রব্বিগফির ওয়ার হাম ওয়া আনতা খইরুর রাহিমীন।

অর্থ:
‘হে আমার রব! আপনি ক্ষমা করুন ও দয়া করুন, আর আপনিই তো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু।’
(কুরআনুল কারিম, সূরা মুমিনুন: ১১৮)

দোয়া

আরবি:
رَبَّنَاۤ اٰتِنَا مِنۡ لَّدُنۡکَ رَحۡمَۃً وَّ هَیِّیٴۡ لَنَا مِنۡ اَمۡرِنَا رَشَدًا

উচ্চারণ:
রব্বানা আতিনা মিল্লাদুনকা রহমাহ, ওয়াহাইয়ি’লানা মিন আমরিনা রশাদা।

অর্থ:
‘হে আমাদের প্রতিপালক, আপনি আপনার পক্ষ থেকে আমাদের অনুগ্রহ দান করুন এবং আমাদের কাজকর্ম সঠিকভাবে পরিচালনার ব্যবস্থা করুন।’
(কুরআনুল কারিম, সূরা কাহফ: ১০)

রমজানের এই বরকতময় সময়ে বেশি বেশি ইবাদত, দোয়া ও আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে আল্লাহর রহমত লাভের চেষ্টা করাই একজন মুমিনের প্রধান করণীয়।

এই বিভাগের অন্য খবর

Back to top button