খেলাধুলা

ইন্টার মায়ামির প্রথম এমএলএস কাপ- মেসির ম্যাজিকেই ইতিহাস

ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসকে ৩-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে নিজেদের ক্লাব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এমএলএস কাপ জিতল ইন্টার মায়ামি। ফাইনালে আবারও প্রমাণ হলো- আর্জেন্টাইন জাদুকর লিওনেল মেসি থাকলে অসম্ভবও সহজ হয়ে যায়। তার পাস থেকে এসেছে দুইটি গোল, আর এই জয়ে ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ খেলা সার্জিও বুস্কেটেস পেলেন স্মরণীয় বিদায়ী উপহার।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল মায়ামি। ১৮ মিনিটে ওকাম্পোর আত্মঘাতী গোলে ১-০তে এগিয়ে যায় দলটি। তবে প্রথমার্ধে আর কোনো গোল হয়নি। বিরতিতে মাঠ ছাড়ে এক গোলের লিড নিয়ে।

বিরতির পর বদলে যায় দৃশ্যপট।
৬০ মিনিটে আলী আহমেদের দুর্দান্ত শটে ১-১ সমতায় ফেরে ভ্যাঙ্কুভার। সমতায় আসার পরই খেলার নিয়ন্ত্রণ আসে কানাডিয়ান ক্লাবটির হাতে। এমানুয়েল সাব্বির শট পোস্টে না লাগলে হয়তো ছবিটা ভিন্নও হতে পারত।

কিন্তু তখনই সামনে আসেন লিও মেসি।

৭২ মিনিট- মাঝমাঠে বল পেয়ে মেসির নিখুঁত স্লাইড পাস। ডি পল ফিনিশিংয়ে ভুল করেননি।
মায়ামি ২-১!

এরপর ম্যাচের যোগ হওয়া অতিরিক্ত সময়।
৯৬ মিনিটে আবারও মেসির পায়ে সৃষ্টি হয় গোলের সুবাস- তার স্পর্শে সাজানো আক্রমণ থেকে বল পান আলেন্দে। সহজ ফিনিশিংয়ে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন তিনি।
স্কোরলাইন ৩-১, আর সাথেসাথেই নিশ্চিত হয় মায়ামির শিরোপা।

এই জয়ে প্রথমবারের মতো এমএলএস কাপ জিতল ইন্টার মায়ামি। গত সপ্তাহেই ক্লাবটি জিতেছিল কনফারেন্স শিরোপা, আর এবার যুক্ত হলো মেজর লিগ সকারের সবচেয়ে বড় ট্রফি।

গোলদাতা
ওকাম্পোর আত্মঘাতী (মায়ামি)
ডি পল
আলেন্দে
আলী আহমেদ (ভ্যাঙ্কুভার)

শেষে সব আলো জমা হলো এক মানুষকে ঘিরে-লিওনেল মেসি।
গোল না পেলেও তার প্রতিটি স্পর্শে রঙ বদলেছে ম্যাচের। ফুটবলের শেষ অধ্যায়ে এসেও তিনি প্রমাণ করে দিচ্ছেন- তার নামই ইতিহাস, তার খেলা-ই কিংবদন্তি।

এই বিভাগের অন্য খবর

Back to top button