
স্কোরলাইন আরও বড় হতে পারত-এমন আক্ষেপ ব্রাজিল সমর্থকদের থাকতেই পারে। তবে দীর্ঘ অপেক্ষার পর জয়ের ধারায় ফেরাটা তাদের জন্য স্বস্তির খবর। মাঠে দেখা গেছে চেনা সাম্বা ফুটবলের ঝলক, আর তাতেই দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে ব্রাজিল।
একাদশে সুযোগ পেয়েই তার সর্বোচ্চ ব্যবহার করেছেন স্ট্রাইকার ম্যাথেউস কুনহা। দলের হয়ে দুটি গোল করেছেন তিনি। কুনহার দুই গোলেই সহায়তা করেছেন ব্রাজিলের তারকা ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
তবে অ্যাসিস্ট করেই থেমে থাকেননি ভিনিসিয়ুস। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে নিজেই গোল করে দলের ব্যবধান আরও বাড়ান। কুনহার জোড়া গোল ও ভিনিসিয়ুসের এক গোলে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় ব্রাজিল।
দ্বিতীয়ার্ধে বেশ কিছু আক্রমণ তৈরি হলেও আর কোনো গোল হয়নি। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
প্রথম ম্যাচে হতাশাজনক ফলের পর এই জয় ব্রাজিলকে ফিরিয়ে দিয়েছে আত্মবিশ্বাস। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে তাদের নকআউট পর্বের পথও অনেকটাই সহজ করে দিয়েছে।



