
রাজধানী ঢাকায় পরীক্ষামূলক লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গে জাতীয় সংসদ ভবনও এর আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর বিবৃতির পর তিনি বলেন, “আমি বলব, মেহেরবানি করে এটা যেন সংসদ থেকে শুরু হয়। লোডশেডিংয়ের আওতায় সংসদও যেন থাকে।”
তিনি আরও বলেন, “যদি ঢাকার অন্য অংশে এক ঘণ্টা লোডশেডিং থাকে, এখানেও যেন এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকে। এখান থেকে শুরু হোক, তাহলে জনগণ বুঝবে বাংলাদেশকে আমরা সর্বজনীন হিসেবে গড়ে তুলতে চাচ্ছি।”
এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিরোধীদলীয় নেতার উদ্দেশে বলেন, সংসদ তো চালু রাখতে হবে, সংসদ বন্ধ করা যাবে না।
জবাবে শফিকুর রহমান বলেন, তিনি সংসদ ভবনের কথা বলেছেন, সংসদের অধিবেশনের কথা বলেননি। অধিবেশনের বাইরেও অনেক কর্মঘণ্টা রয়েছে, তিনি সেই সময়ের কথাই বলেছেন।
এর আগে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহের অভাবে কিছু এলাকায় লোডশেডিং হচ্ছে। বিষয়টি সহনীয় পর্যায়ে রাখতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর পরামর্শে এবং বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে রাজধানী ঢাকা-য় প্রাথমিকভাবে ১১০ মেগাওয়াট পরীক্ষামূলক লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শহরের মানুষ আরামে থাকবে আর গ্রামের কৃষক কষ্টে থাকবে-এটি কাম্য নয়। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে শহর-গ্রামের বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় ভারসাম্য আনতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে কৃষকেরা সেচের জন্য পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ পান।
তথ্যসূত্র: আজকের পত্রিকা



