বগুড়ায় ভাগ্নের চাপাতির কোপে প্রাণ হারালেন মামা

বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহারে জমি সংক্রান্ত জেরে ভাগ্নের চাপাতির কোপে আহত মামা ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মারা গেছেন।
এক সপ্তাহ ধরে সেখানে চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত সান্তাহার পৌর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্লার্ক আবুল কালাম আজাদ নামী। তিনি উপজেলার সান্তাহার ইউপির উথরাইল জাহানাবাজ গ্রামের মৃত শাহাদত হোসেনের ছেলে।
শুক্রবার দুপুরে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মহসীন আলী তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলা ও স্থানিয় সূত্রে জানা যায়, একই গ্রামের
আবুল কালাম আজাদ নামী এবং তার আপন ভাগ্নে আনোয়ার হোসেন ওরফে সাদ্দামের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ ছিল। এ নিয়ে উভয়পক্ষ সমঝোতার জন্য শুক্রবার সকালে জমিটির মাপজোখ করতে ভাগ্নে সাদ্দাম তার মামাকে সেখানে উপস্থিত হতে বলেন।
মামা ওই সময় উপস্থিত না হওয়ায় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে খুঁজে বের করে দেশীয় চাপাতি দিয়ে কোপালে মামার শরীর থেকে তার হাত-পা বিচ্ছন্ন হওয়ার উপক্রম হয়।
গুরুতর আহত আবুল কালাম আজাদকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর অবস্থার অবনতি ঘটলে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
আদমদীঘি থানার ওসি জালাল উদ্দীন জানান, ঘটনার দিন রাতেই নিহতের ভাই আব্দুস সালাম বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মূল আসামী আনোয়ার হোসেন সাদ্দাম এখনো পলাতক রয়েছে। তবে দুজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তাদের জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।
এসএ