
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা উপজেলার বিহার ইউনিয়নের সংসারদীঘি গ্রামে শাহ আলম (৪০) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১৬ মে) দুপুর ১২টার দিকে বাড়ির পাশের একটি ধানখেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)। নিহত শাহ আলম সংসারদীঘি গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যার পর বাড়িতেই ছিলেন শাহ আলম। শনিবার সকালে স্থানীয় লোকজন বাড়ির পাশের ধানখেতে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। নিহতের মাথায় একাধিক ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলের পাশ থেকে একটি ধান কাটার হাঁসুয়াও উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর শাহ আলম বাবা-মায়ের সঙ্গে বসবাস করতেন। তার দুই ছেলের মধ্যে একজন মায়ের সঙ্গে এবং অপরজন নানাবাড়িতে থাকে। পারিবারিক বিরোধ নিয়ে কিছুদিন আগে সালিসও হয়েছিল বলে জানিয়েছেন বিহার ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য শাহজাহান আলী।
শিবগঞ্জ থানার ওসি শাহিনুজ্জামান বলেন, “কী কারণে বা কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।”
