
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চলতি বোরো মৌসুমে বগুড়ায় ধানের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে লোকসানের মুখে পড়েছেন কৃষকরা। উৎপাদন খরচ ও কাটামাড়াই ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় প্রতি বিঘায় অন্তত ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা ক্ষতি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তারা।
বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার বুড়ইল ইউনিয়নের কৃষক মো. শাহীন আলম সাজু জানান, তিনি ৬ বিঘা জমিতে কাটারী ও মিনিকেট ধানের চাষ করেছেন। মৌসুমের শুরুতে কাঁচা ধান পাইকারি বিক্রি করতে হয়েছে মাত্র ৯৫০ টাকা মণ দরে। পরে শুকনা ধানের দাম ১ হাজার ৪০০ টাকায় উঠলেও ততদিনে অধিকাংশ ধান বিক্রি হয়ে যায়।
তিনি বলেন, “বিঘাপ্রতি চাষাবাদে ১৫ থেকে ১৭ হাজার টাকা এবং কাটামাড়াইয়ে আরও প্রায় ৭ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে ফলনও কমেছে। সব মিলিয়ে এবার বিঘাপ্রতি ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে।”
এদিকে বগুড়ার রানবাঘা হাটের পাইকার মো. হাবিবুর রহমান রতন বলেন, সরকারি সংগ্রহ শুরুতে দেরি হওয়ায় বাজার নিয়ন্ত্রণ চলে যায় দালাল ও ফড়িয়াদের হাতে। এতে কৃষকদের কম দামে ধান বিক্রি করতে হয়েছে।
তবে বগুড়ার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাজী সাইফুদ্দিন জানান, সরকারি সংগ্রহ শুরু হওয়ায় বর্তমানে বাজারদর কিছুটা বেড়েছে এবং কৃষকরা উপকৃত হচ্ছেন। অন্যদিকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, জেলায় এবার ধানের ফলন তুলনামূলক ভালো হয়েছে।
