
পাঁচ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ। আগামী ২১ জানুয়ারি প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সব ধাপের ভোটগ্রহণ হবে বৃহস্পতিবার।
সোমবার (১২ অক্টোবর) ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণে নির্বাচন কমিশনের বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।
সানাউল্লাহ জানান, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের ভোট হবে ৪ ফেব্রুয়ারি, তৃতীয় ধাপের ২৯ এপ্রিল, চতুর্থ ধাপের ১৩ মে এবং পঞ্চম ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২৭ মে।
এর আগে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা না করেই গত ১৪ সেপ্টেম্বর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোটের প্রাথমিক তারিখ ঘোষণা করায় সরকারের চাপের মুখে পড়ে নির্বাচন কমিশন। দুই দিনের মাথায় আন্তমন্ত্রণালয় সভার পর নিজেদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।
এর ঠিক এক মাস পর সোমবার আবারও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণে কমিশন সভার আয়োজন করা হয়। সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীনের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া বৈঠক চলে দুপুর ১টা পর্যন্ত।
সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ আরও জানান, ভোটগ্রহণের ছয় সপ্তাহ আগে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। জেলা ধরে নির্বাচন শেষ করতে চায় কমিশন। এ ক্ষেত্রে উপজেলা সদরকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
বাংলাদেশ আর কোনো সংঘাতময় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত নয় উল্লেখ করে সানাউল্লাহ বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সংঘাতপূর্ণ হবে না। সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সভায় জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতা প্রদান, পার্সোনালাইজেশন সেন্টারের যন্ত্রপাতির রক্ষণাবেক্ষণ এবং ‘জাতীয় নির্বাচন পদক নীতিমালা-২০২৫’-এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়।
তথ্যসূত্র: সময় নিউজ


