
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে গত সপ্তাহের ভয়াবহ ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা ১ হাজার ছাড়িয়েছে। একইসঙ্গে এখনও ৪ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। দুর্গত এলাকায় নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।
ভয়াবহ এই দুর্যোগে ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দুর্গম ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধারকাজ চালাতে নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছেন উদ্ধারকর্মীরা। ধ্বংসস্তূপের নিচে ও বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকায় এখনও নিখোঁজদের সন্ধান চলছে।
তবে ধ্বংসস্তূপ ও মৃত্যুর এই ভয়াবহতার মধ্যেও সামনে আসছে মানুষের বেঁচে থাকার লড়াইয়ের নানা ঘটনা। পাঁচ বছর বয়সী মানিশা মাগার ভয়াবহ বন্যার পানিতে ভেসে যাওয়ার পর তাকে মৃত বলে ধরে নিয়েছিল তার পরিবার। পরে মেয়েটিকে উদ্ধারের একটি ভিডিও দেখতে পান তার বাবা-মা।
এদিকে নেপালের প্রথম নারী হেলিকপ্টার পাইলট প্রিয়া অধিকারী দুর্গত মানুষের উদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। এক সপ্তাহেরও কম সময়ে তিনি প্রায় ১০০টি উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেছেন। দুর্গম ও ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা থেকে জীবিতদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে কাজ করছেন তিনি।
ভয়াবহ এই দুর্যোগের পর উদ্ধার তৎপরতার পাশাপাশি নিখোঁজদের সন্ধান এবং নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজও চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা এখনও কয়েক হাজার হওয়ায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকলেও দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল ও ক্ষতিগ্রস্ত যোগাযোগব্যবস্থা উদ্ধারকাজকে আরও কঠিন করে তুলেছে।
তথ্যসূত্র: যমুনা টিভি



