পিকে হালদারকে দ্রুতই দেশে আনার প্রচেষ্টা দুদকের

হাজার হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক পি কে হালদার ওরফে প্রশান্ত কুমার হালদারকে দেশে ফেরাতে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
রোববার এক ভিডিও বার্তায় দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান বলেন, পিকেকে ফেরাতে যা যা করণীয় তার সবটাই করবে দুদক। তাকে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
কয়েক হাজার কোটি টাকা লুট করে পালিয়ে যাওয়া প্রশান্ত কুমার পশ্চিমবঙ্গের অশোকনগর থেকে শনিবার গ্রেপ্তার হয়েছেন। সঙ্গে তার আরও পাঁচ ঘনিষ্ঠ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের একজন তার ভাই বলে জানা গেছে।
একই দিন দুপরে কলকাতার ব্যাংকশাল আদালতের সিবিআই কোর্টে পিকেকে নেয়ার পর তিন দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে ভারতের ডিরেক্টরেট অব এনফোর্সমেন্ট (ইডি)। তদন্তের স্বার্থে পিকেসহ ছয়জনকে ১৭ মে পর্যন্ত ইডির হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ দেন বিচারক।
দুদক কমিশনার বলেন, পিকে হালদার যত বড়ই প্রতারক ও আত্মসাৎকারী হোক না কেন, একদিন তাকে ধরা পড়তেই হবে। আইনের হাত অনেক লম্বা। দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার হবে এখন তার। আর সেই বিচারে সাজা হলে, সেটিও ভোগ করতে হবে পিকে হালদারকে।
পিকে হালদারের গ্রেপ্তারে বিষয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, পিকে হালদারকে গ্রেপ্তারের জন্য এর আগে ইন্টারপোলকে চিঠি দিয়েছে দুদক। এরপর তার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্টও জারি হয়। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে তার সম্পর্কে কিছু তথ্য চাওয়া হলে দুদক থেকে সেগুলো দেয়া হয়।
এসএ



