
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করেছে সরকার। নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী ডিজেল প্রতি লিটারে ১৫ টাকা বেড়ে ১১৫ টাকা, পেট্রল ১৯ টাকা বেড়ে ১৩৫ টাকা এবং অকটেন ২০ টাকা বেড়ে ১৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কেরোসিনের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি লিটার ১৩০ টাকা। নতুন এ মূল্য আজ রাত ১২টার পর, অর্থাৎ ১৯ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে।
শনিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে বিক্রয়মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে আমদানি ও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি এবং সরবরাহ সংকটের মধ্যেও এপ্রিল মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। জ্বালানি বিভাগ থেকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যানকে পাঠানো অফিস আদেশে জানানো হয়, ভোক্তা পর্যায়ে ডিজেলের মূল্য প্রতি লিটার ১০০ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা, পেট্রল ১১৬ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা বহাল রাখা হয়েছে। ১ এপ্রিল থেকে সেই মূল্য কার্যকর ছিল।
জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানান, গত ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক বাজারে ডিজেলের গড় দরের তুলনায় ১ থেকে ২৯ মার্চ সময়ে দাম ৯৮ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে অকটেনের দাম বেড়েছে ২৬ শতাংশ।
তিনি আরও জানান, জনগণের স্বার্থে সরকার উল্লেখযোগ্য ভর্তুকি দিচ্ছে। মার্চ-জুন প্রান্তিকে ডিজেলের জন্য ১৫ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা এবং অকটেনের জন্য ৬৩৬ কোটি টাকা, মোট ১৬ হাজার ৪৫ কোটি টাকা ভর্তুকির প্রয়োজন হবে। এছাড়া পেট্রোবাংলার মাধ্যমে এলএনজি আমদানির জন্য এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে আরও ১৫ হাজার ৭৭ কোটি টাকা ভর্তুকির প্রয়োজন হবে।
তথ্যসূত্র: আজকের পত্রিকা



