করোনা: ৭ মাসে সর্বনিম্ন মৃত্যু

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ১১ মার্চের পর এটিই দৈনিক সর্বনিম্ন মৃত্যু। একই সময়ে এই ভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন ২৯৩ জন। আজ শনিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। যেখানে গতকাল ৯ জনের মৃত্যু এবং ৩৯৬ জন রোগী শনাক্তের খবর জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
এর আগে জুনের শেষ থেকে আগস্টের শেষ নাগাদ পর্যন্ত টানা দৈনিক মৃত্যু ১০০-এর ওপরে ছিল। এমনকি কোনো কোনো দিন মৃত্যু ২০০ ছাড়িয়ে গেছে। ১০ ও ৫ আগস্ট ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৬৪ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরটি–পিসিআর, জিন এক্সপার্ট ও র্যাপিড অ্যান্টিজেন মিলিয়ে ৮২৯টি সক্রিয় ল্যাবে ১৫ হাজার ৫৮০টি নমুনা পরীক্ষা করলে ২৯৩ টিতে করোনাভাইরাস পজিটিভ আসে। সে হিসাবে রোগী শনাক্তের হার ১ দশমিক ৮৮ শতাংশ। চলতি বছর দৈনিক সর্বনিম্ন শনাক্তের হার এটি।
যেখানে গতকাল ৮২৯টি সক্রিয় ল্যাবে ১৮ হাজার ৯৮০টি নমুনা পরীক্ষা করলে ৩৯৬টিতে করোনাভাইরাস পজিটিভ আসে। সে হিসাবে রোগী শনাক্তের হার ছিল ২ দশমিক ০৯ শতাংশ।
সর্বশেষ ২১ ফেব্রুয়ারি শনাক্তের হার ২ শতাংশে নেমেছিল। এরপর ক্রমেই বেড়েছে। এপ্রিল-মে মাসে কিছুটা কমলেও পরের মাসগুলোতে টানা ঊর্ধ্বমুখী ছিল। জুলাই মাসে চূড়ায় ওঠে। আগস্টের শুরু থেকে ক্রমান্বয়ে শনাক্তের হার কমতে শুরু করে।
এদিকে ঢাকা বিভাগে গত এক দিনে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর চট্টগ্রামে ১ জন, খুলনায় ১ জন এবং সিলেটে ১ জন করোনা রোগী মারা গেছেন। এ সময় রাজশাহী, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে করোনা আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা যাননি।
এক দিনে করোনায় মৃত ৬ জনের মধ্যে সবাই সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে পুরুষ ৪ আর নারী ২ জন। বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৭১-৮০ বছর বয়সী ২ জন, ৬১-৭০ বছর বয়সী ২ জন এবং ৫১-৬০ বছর বয়সী ২ জন কোভিড রোগী এই সময়ে মারা গেছেন।
এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড থেকে সেরে উঠেছেন ৪৪২ জন রোগী। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ১৫ লাখ ২৭ হাজার ৩৩৩ জন। যেখানে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে মোট আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৬৫ হাজার ১৭৪ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ২৭ হাজার ৭৫২ জন করোনা রোগীর।

