অন্যান্য

বিবাহ ও আদর্শ দম্পতি

বিয়ে সব নবির সুন্নত। পৃথিবীর সব ধর্ম ও জাতির মধ্যে নিজ নিজ ধর্ম ও সংস্কৃতির আলোকে বিয়ে প্রচলিত রয়েছে। হাদিসে বিয়েকে ইমানের অর্ধেক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

রাসুল (স.) বলেছেন, যে ব্যক্তি বিয়ে করল, সে অর্ধেক দ্বিন পেয়ে গেল; বাকি অর্ধেক লাভ করতে সে যেন আল্লাহকে ভয় করে চলে’ (বায়হাকি)।

ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে বিয়ের ভূমিকা ও তাত্পর্য অনস্বীকার্য। কেননা একটি আদর্শ দম্পতিই একটি আদর্শ পরিবার নির্মাণ করতে পারে। এজন্য মা-বাবা এবং অভিভাবকদের উচিত সন্তানদের ইসলামের শিক্ষা ও সংস্কৃতির আলোকে গড়ে তোলা।

আদর্শ দম্পতি সৃষ্টি করার জন্য বিয়েকে সহজ করা অপরিহার্য। সন্তানের বিয়ের বয়স হলে দেরি না করে বিয়ে-শাদি সম্পন্ন করে দেওয়া। আমাদের সমাজে বিলম্বিত বিয়ে মারাত্মক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। বিয়ের বয়স হওয়ার পরেও অকারণে কিংবা বিভিন্ন অজুহাতে, যেমন—উচ্চশিক্ষা, ভালো চাকরি, উচ্চাকাঙ্ক্ষার পাত্র-পাত্রী ইত্যাদি কারণে সন্তানসন্ততির বিয়ে-শাদিতে অনেক কালক্ষেপণ করতে দেখা যায়।

আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবিজি (স.)-এর সঙ্গে আমরা কতক যুবক ছিলাম; আর আমাদের কোনো কিছু ছিল না।

এ অবস্থায় আমাদেরকে রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ‘হে যুবক সম্প্রদায়, তোমাদের মধ্যে যারা বিয়ে করার সামর্থ্য রাখে, তারা বিয়ে করে নেবে। কারণ, বিয়ে তার দৃষ্টিকে সংযত রাখে এবং লজ্জাস্থান সুরক্ষা করে এবং যার বিয়ে করার সামর্থ্য নেই, সে যেন সাওম পালন করে। কেননা, সাওম তার যৌনতাকে দমন করবে।’ (বুখারি : ৫০৬৬)

লেখক : সহকারী শিক্ষক; শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা, সিলেট।

এই বিভাগের অন্য খবর

এছাড়াও দেখুন
Close
Back to top button