গণভোটে ‘হ্যাঁ-না’ ভোট সংবিধানে ছিল, স্বৈরাশাসন চার মিনিটে বাতিল করে দিয়েছিল: ফারুক-ই-আজম

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, বীর প্রতীক ফারুক-ই-আজম বলেছেন, বাংলাদেশের সংবিধানে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোট দেওয়ার বিধান আগে থেকেই ছিল। তবে পূর্ববর্তী স্বৈরাচারী সরকার কোনো আলোচনা ছাড়াই মাত্র চার মিনিটে সংসদে এই বিধান বাতিল করে দেয়।
আজ বেলা সাড়ে ১০টায় বগুড়া সদর উপজেলার ফাঁপোড় পশ্চিমপাড়ায় অনুষ্ঠিত উঠান বৈঠকে তিনি এসব মন্তব্য করেন। বৈঠকটি আয়োজিত হয় আসন্ন ক্রয়াদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও ২০২৬ সালের গণভোট উপলক্ষে ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে।
ফারুক-ই-আজম বলেন, “ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে। সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে একটি ঐকমত্য কমিশন করা হয়েছে। দীর্ঘ আলোচনার পর জুলাই সনদ গঠন হয়। সেই সনদের কিছু বিষয়ে জনগণের মতামত জানাতেই এই গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, বিগত ১৬ বছরে স্বৈরাচারী শাসনামলে গুম, খুন ও হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে বৈষম্যমূলক সমাজ গড়ে তোলা হয়েছিল। তবে এবার ভোটাররা সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটেও অংশ নেবেন।
এক প্রশ্নের জবাবে ফারুক-ই-আজম উল্লেখ করেন, “স্বাধীনতার মাধ্যমেই বাংলাদেশ অর্জিত হয়েছে এবং সেই স্বাধীনতা এখন আরও শক্তিশালী। ১৯৭১ ও ২০২৪ সালের সংগ্রামের তুলনা করলে দেখা যায়, দুই সময়ই রক্ত দিয়েছেন মানুষ, তবে লড়াইয়ের ধরন ভিন্ন ছিল।”
বগুড়ার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তৌফিকুর রহমান এবং পুলিশ সুপার মো. শাহাদাত হোসেন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গণভোট ও জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এ ধরনের উঠান বৈঠক আরও জোরদার করা হবে।



