বগুড়ায় নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বগুড়ার শেরপুরে বিয়ের দেড় মাস না পেরুতেই নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত নববধূ তানিয়া আক্তার (১৮) গোসাইবাড়ী গ্রামের সোলায়মান আলীর মেয়ে।
মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের বিরইল গ্রামস্থ স্বামীর বসতবাড়ির শয়নকক্ষ থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার ফজলার রহমানের ছেলে রবিউল ইসলামের সঙ্গে তানিয়র বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে বনিবনাত হচ্ছিল না।
এরইমধ্যে ৭ এপ্রিল তানিয়াকে রেখে স্বামী রবিউল কাজের সন্ধানে ঢাকায় যান। এনিয়ে তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মোবাইল ফোনে ঝগড়া হয়। এতে অভিমান করে শয়নকক্ষের তীরের সঙ্গে ওড়না গলায় পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন তানিয়া।
নবধূর শ্বশুর ফজলার রহমান বলেন, সকালের জমির ধান কাটার জন্য ক্ষেতে যান। আর তার শ্বাশুড়ীও ছাগল চড়ানোর জন্য মাঠে যান। একপর্যায়ে সে দুপুরের পর বাড়িতে এসে পুত্রবধূকে ডাকলে কোনো সাড়া পাচ্ছিলেন না।
ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ দেখে জানালায় জোরে ধাক্কা দিলে জানালা খুলে যায়। এরপর তানিয়াকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করেন। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে ঘটনাটি জানার পর থানা পুলিশকে সংবাদ দেন।
শেরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হাসান আলী বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে স্বামী-স্ত্রীর মনোমালিন্যের কারণে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তবে এই ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে সেইসঙ্গে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
এসএ




