
ঢাকা ক্যাপিটালসের একের পর এক ব্যাটার সাজঘরে ফিরলেও শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যান শামীম হোসেন পাটোয়ারী। ব্যাট হাতে ঝোড়ো অর্ধশতক তুলে নিলেও দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছাতে পারেননি এই ডানহাতি ব্যাটার। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দিনের প্রথম ম্যাচে সিলেট টাইটান্সের কাছে ৬ রানে পরাজিত হয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালস।
প্রথমে ব্যাট করে সিলেট টাইটান্স নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৭৩ রান। জবাবে রান তাড়া করতে নেমে ঢাকা ক্যাপিটালসের ইনিংস থামে ১৬৭ রানে।
শুরুতেই ধস ঢাকার
লক্ষ্য তাড়ায় নেমেই বিপাকে পড়ে ঢাকা। মোহাম্মদ আমিরের দুর্দান্ত বোলিংয়ে প্রথম দুই ওভারে মাত্র ১ রান তুলে ১ উইকেট হারায় তারা। চাপ সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন সাইফ হাসান ও উসমান খান। তবে পাওয়ার প্লের শেষ বলে উসমান খান আউট হন। তিনি করেন ১৫ বলে ২১ রান। পরের বলেই ফিরে যান সাইফ হাসান (৯)।
অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন রানের খাতা খুলতেই পারেননি। নাসির হোসেন থামেন ৫ রানে। মাত্র ৪৩ রানের মধ্যেই ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে অনেকটাই ছিটকে যায় ঢাকা।
শামীমের লড়াই, কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি
ষষ্ঠ উইকেটে শামীম হোসেন পাটোয়ারী ও সাব্বির রহমান গড়েন ৪৬ রানের জুটি। শামীম আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে দ্রুত অর্ধশতক পূর্ণ করেন। তবে অন্যপ্রান্তে নিয়মিত উইকেট পড়তে থাকায় ব্যবধান ঘোচানো সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত ঢাকার ইনিংস থামে ১৬৭ রানে, জয় থেকে ৬ রান দূরে থেকে মাঠ ছাড়ে তারা।
সিলেটের ইনিংস: ওমরজাইয়ের তাণ্ডব
এর আগে টস জিতে ঢাকা ক্যাপিটালস সিলেট টাইটান্সকে ব্যাট করতে পাঠায়। শুরুতেই ধাক্কা খায় সিলেট। ১৫ রানের মধ্যেই ওপেনার রনি তালুকদার (৭ বলে ১১) আউট হন। ওয়ানডাউনে নামা অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজও ব্যর্থ হন, তাসকিন আহমেদের বলে ৬ রানে ফেরেন।
চাপে পড়া দলকে টেনে তোলেন সাইম আইয়ুব ও পারভেজ হোসেন ইমন। দুজনের জুটিতে আসে ৬৪ রান। ধীরগতির ৩৪ বলে ২৯ রান করে সাইম আউট হলে কিছুক্ষণের মধ্যেই ফেরেন ইমনও। আগের দুই ম্যাচে ফিফটি করা ইমন এবার করেন ৩২ বলে ৪৪ রান। আফিফ হোসেন যোগ করেন ১৩ রান।
শেষদিকে আজমতউল্লাহ ওমরজাই ও ইথান ব্রুকসের ৫১ রানের জুটি সিলেটকে বড় সংগ্রহ এনে দেয়। সালমান মির্জার এক ওভারে ২২ রান নেন ওমরজাই, যিনি অপরাজিত থাকেন ২৪ বলে ৫০ রানে। ব্রুকস করেন ৬ বলে ১৩ রান। ঢাকার ফিল্ডারদের একাধিক সহজ ক্যাচ মিসও সিলেটের পক্ষে যায়।
বোলিং চিত্র
ঢাকার হয়ে সালমান মির্জা নেন ২ উইকেট। তাসকিন আহমেদ, সাইফ হাসান ও সাইফউদ্দিন নেন ১টি করে উইকেট। তবে শেষ দিকে মার খেয়ে তাসকিন ও সালমান দুজনই ৪ ওভারে ৪৬ রান করে দেন।
তথ্যসূত্র: যুগান্তর



