
১৯৩০ সালে উরুগুয়ের মাটিতে মেক্সিকো-ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্র-বেলজিয়াম ম্যাচ দিয়ে শুরু হয়েছিল ফুটবল বিশ্বকাপের যাত্রা। প্রায় এক শতাব্দী পর ২০২৬ বিশ্বকাপে এসে সেই টুর্নামেন্ট স্পর্শ করল এক ঐতিহাসিক মাইলফলক-বিশ্বকাপের ১০০০তম ম্যাচ।
আর ইতিহাসের এই বিশেষ ম্যাচটিকে নিজেদের দাপটের প্রদর্শনীতে পরিণত করেছে জাপান। রোববার (২১ জুন) মেক্সিকোর মন্টেরি স্টেডিয়ামে তিউনিসিয়াকে ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের হাজারতম ম্যাচকে স্মরণীয় করে রাখল ব্লু সামুরাইরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে জাপান। মাত্র ৪ মিনিটেই দাইচি কামাদার দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে যায় এশিয়ার প্রতিনিধিরা। দ্রুত গোল হজম করে চাপে পড়ে যায় তিউনিসিয়া।
প্রথমার্ধের ৩১তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফরোয়ার্ড আয়াসে উয়েদা। দ্রুতগতির পাল্টা আক্রমণ থেকে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে তিনি বল জালে পাঠিয়ে জাপানকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
বিরতির পরও খেলার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতেই রাখে জাপান। ম্যাচের ৬৯তম মিনিটে তারকা উইঙ্গার জুনিয়া ইতো দলের তৃতীয় গোলটি করেন। তিউনিসিয়ার রক্ষণভাগকে ছিন্নভিন্ন করে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে গোল করেন তিনি।
এরপর ৮৩তম মিনিটে আবারও জ্বলে ওঠেন আয়াসে উয়েদা। বক্সের ভেতরে দুর্দান্ত পজিশনিং থেকে পাওয়া বল ঠাণ্ডা মাথায় জালে জড়িয়ে নিজের জোড়া গোল এবং দলের চতুর্থ গোল নিশ্চিত করেন এই ফরোয়ার্ড।
শেষ পর্যন্ত ৪-০ গোলের বিশাল জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জাপান। বিশ্বকাপের ইতিহাসের ১০০০তম ম্যাচে এমন দাপুটে পারফরম্যান্সে শুধু তিন পয়েন্টই নয়, ফুটবল ইতিহাসের একটি বিশেষ অধ্যায়ের সঙ্গেও নিজেদের নাম যুক্ত করল ব্লু সামুরাইরা।
বিশ্বকাপের শতবর্ষের পথে এগিয়ে চলা এই মহাযজ্ঞে জাপানের এই জয় তাই শুধু একটি ম্যাচের ফল নয়, বরং ইতিহাসের পাতায় লেখা একটি স্মরণীয় অধ্যায়।