
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-এ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল-এর হামলার পর ত্রিমুখী যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ-এও।
রাজধানী ঢাকা জুড়ে জ্বালানি সংকটের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন ও ভিড় দেখা যাচ্ছে। অনেক জায়গায় লাইনে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে তর্কবিতর্ক এমনকি হাতাহাতির ঘটনাও ঘটছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতের আশঙ্কায় অনেকেই অতিরিক্ত জ্বালানি মজুত করার চেষ্টা করছেন।
এ পরিস্থিতিতে ফিলিং স্টেশনগুলো কোন পরিবহণের জন্য কতটুকু জ্বালানি সরবরাহ করতে পারবে, সে বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। পাশাপাশি ফিলিং স্টেশনগুলো ডিপো থেকে কী পরিমাণ জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবে সেটিও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (৬ মার্চ) জ্বালানি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করেছে।
নির্দেশনায় যেসব শর্ত দেওয়া হয়েছে
জ্বালানি তেল সরবরাহ গ্রহণ ও প্রদানের ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত আরোপ করা হয়েছে। সেগুলো হলো-
- ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় ভোক্তাকে তেলের ধরন, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে ক্রয় রশিদ প্রদান বাধ্যতামূলক।
- প্রতিবার জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় পূর্ববর্তী ক্রয় রশিদ বা বিল প্রদর্শন করতে হবে।
- ডিলাররা বরাদ্দ ও নির্দেশনা অনুযায়ী ক্রয় রশিদ গ্রহণ করে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেল সরবরাহ করবে।
- ফিলিং স্টেশনগুলোকে জ্বালানি তেলের মজুত ও বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ডিপোতে প্রদান করে তেল উত্তোলন করতে হবে।
- তেল বিপণন কোম্পানিগুলো ডিলারদের জ্বালানি সরবরাহের আগে বর্তমান বরাদ্দ অনুযায়ী মজুত ও বিক্রয় তথ্য পর্যালোচনা করবে, কোনোভাবেই বরাদ্দের বেশি জ্বালানি দেওয়া যাবে না।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জ্বালানি সরবরাহে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং অপ্রয়োজনীয় মজুত রোধ করতেই এসব নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
সূত্র: যুগান্তর



