সারাদেশ

বিচারের ভার আল্লাহর ওপর, আর বাকি যা করার প্রধানমন্ত্রী করবেন: নাহিদের মা

ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় নাহিদ হাসান নামে এক ডেলিভারিম্যানের মৃত্যু হয়েছে। নাহিদকে হারিয়ে পুরো পরিবার শোকস্তব্ধ।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নাহিদের মরদেহের পাশে বসে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন নাহিদের সদ্য বিবাহিত স্ত্রী, মা-বাবা।

নাহিদের স্ত্রী ডলি বলেন, আমি কিছুটা অসুস্থ ছিলাম। নাহিদকে তাই কাল কাজে যেতে মানা করেছিলাম। কিন্তু সে তা মানেনি। সে বলে, করোনায় কাজ বন্ধ ছিল অনেক দিন। এই রোজার মাসে আর কাজ বন্ধ রাখা যাবে না। এই বলে সে সকাল ১০টার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে যায়।

তিনি আরো বলেন, এরপর শুনি সে মারামারির মধ্যে পড়ে আহত হয়েছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই। সরকারের কাছে বিচার চাই। সরকার কি আমাদের ক্ষতিপূরণ দেবে?

নাহিদের মা নারগিস বেগম বলেন, আমার ছেলের মতো ভালো ছেলে আর হয় না। সে কোনো দিন কারো সঙ্গে খারাপ আচরণ করেনি, মারপিট করেনি। সে সুস্থ দেহে কাজে বের হয়েছিল। এখন লাশ হয়ে ফিরেছে। আমি এ শোক সইবো কেমন করে?

তিনি আরো বলেন, আমার ছেলেকে কে বা কারা মেরেছে, তা জানি না। ছেলেকে তো আর ফিরে পাব না। আমি বিচারের ভার আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিয়েছি। আর বাকি যা করার প্রধানমন্ত্রী করবেন।

প্রসঙ্গত, নিউমার্কেট এলাকায় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সোমবার দিবাগত রাতের পর মঙ্গলবার দিনভর সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে আহত ডেলিভারিম্যান নাহিদ হাসান (১৮) গতকাল রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এসএ

এই বিভাগের অন্য খবর

Back to top button