বিশ্বজুড়ে শঙ্কা: নতুন ধরনের করোনা

যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ব্রাজিলে সন্ধান মিলেছে, করোনার নিউ ভ্যারিয়েন্ট। এরমধ্যে যুক্তরাজ্যে শনাক্ত নতুন ধরনের করোনা ছড়িয়েছে, ৭৫টি দেশে। আর দক্ষিণ আফ্রিকায় খোঁজ মেলা করোনার উপস্থিতি এখন ৩৫ দেশে। যদিও প্রতিরোধে দেয়া হচ্ছে, অক্সফোর্ড-মডার্নাসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের টিকা।
নতুন ধরণের করোনা যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত এসব দেশে কীভাবে সংক্রমিকত হলো, নিয়ন্ত্রণে দেশে কী কী কৌশল নিয়েছে, এর প্রতিরোধে টিকার অগ্রগতি কতদূর।
২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর চীনের উহানে সর্বপ্রথম সনাক্ত হয় করোনা ভাইরাস। থমকে যায় পুরোবিশ্ব। বন্ধ হয়ে যায় রাস্তাঘাট, হাটবাজার, দোকানপাট। নিরব, নিস্তব্ধ, নিশ্চুপ হয়ে যায় সমগ্র বিশ্ব। এমন এক ভাইরাস, যার কোন ওষুধ নেই। নেই স্থায়ী কোন সমাধান।
লকডাউন, সামাজিক দূরত্ব আর মাস্ক পরে একে একে কেটে গেলো প্রায় নয় মাস। এরপর শুরু হলো আরও এক ভয়ানক কাণ্ড। রূপ বদলালো করোনাভাইরাস। গেল বছর সেপ্টেম্বরে যুক্তরাজ্যে সনাক্ত হলো করোনার নতুন ধরণ। এ যেন মরার উপর খাড়ার ঘা।
যুক্তরাজ্যে সনাক্ত করোনার নতুন এই ধরণের নাম বি-ওয়ানওয়ানসেভেন। এরপর গেলো বছর অক্টোবরে দক্ষিণ আফ্রিকায় সনাক্ত হয় আরও একটি নতুন ধরণ। জানুয়ারিতে ব্রাজিলে সনাক্ত হয় আরও একটি। এখন পর্যন্ত প্রায় ৭৫ টি দেশে ছড়িয়েছে যুক্তরাজ্যের সনাক্ত করোনার নতুন ধরণ। আর ৩৯ টিরও বেশি দেশে পৌছেছে দক্ষিণ আফ্রিকার নতুন ধরণের করোনাভাইরাস।লণ্ডনের ইমপেরিয়াল কলেজের একদল বিশেষজ্ঞ জানায়, এটি আগের ভাইরাসের তুলনায় ৭০ শতাংশ বেশি দ্রুত ছড়ায়।
