বগুড়ায় আওয়ামী লীগ নেতা রকি হত্যাকাণ্ডে মামলা দায়ের; গ্রেফতার ১

বগুড়া ফাঁপোর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম রকি (৩৭) হত্যায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টার দিকে সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অজ্ঞাত আসামী করেছে মামলার বাদী ও নিহতের ছোট ভাই রুকু ইসলাম (২৭)।
মামলার এজাহার ভুক্ত আসামীরা হলেন, গাউসুল আজম (২৭), মোহাম্মাদ মানিক (৩৭), মোহাম্মাদ আলী (৩২), মেহেদী হাসান (২৭), মোহাম্মাদ পলাশ (৪০), পারভেজ হোসেন (২৭), সৈকত হোসেন (১৯), শাহাজাহান আলী (৪৭), মোহাম্মাদ হাবিব (২২) ও মোহাম্মাদ আরিফ (২৫)। এরা সবাই ফাঁপোর ইউনিয়নের বাসিন্দা।
এজাহারে নামসহ মামলা দায়েরের এক ঘন্টা পরেই সদর থানা পুলিশ মামলায় নাম অভিযুক্ত শাহাজাহান আলীকে কৈচড়ে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে।
শাজাহান ফাপোঁর ইউনিয়নের কৈচর মধ্যপাড়া মৃত সাদেক আলীর ছেলে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক সোয়া ৯টার দিকে শহরতলীর ফাঁপোর ইউনিয়নের হাটখোলা এলাকায় রকিকে গাউসুলের নেতৃত্বে পূর্ব শত্রুতার জেরে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যাকান্ডে অংশ নেন এজাহারে নাম থাকা অভিযুক্ত ১০জন সহ আরও ১০ থেকে ১২ জন। তারা প্রত্যেকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে নিহতের সারা শরীরে উপর্যপুরী কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে।
শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) ময়নাতদন্ত শেষে বুধবার দুপুরে রকির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর ও আছর নামাজ পরে জানাজা শেষে তার মরদেহ শহরের বাড়ি বৃন্দাবন পাড়াতে দাফন করা হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জহুরুল ইসলাম জানান, আমরা ঘটনার পর থেকে জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছি। আশা করছি দ্রুত আসামীদের আইনের আওতায় আনা হবে।
মামলার বাদী রুকু ইসলাম জানান, ভাইয়ের দাফনের কারণে আমাদের মামলা করতে দেরি হয়েছে। আশা করছি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত সবাইকে গ্রেফতার করে জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করবেন।
বগুড়া জেলা পুলিশের মিডিয়া মুখমাত্র ও সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ জানান, আমরা মামলার পরেই জড়িত এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছি। বাকিদের গ্রেফতারেও আমাদের অভিযান চলমান আছে। দ্রুত তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।



