
গণভোট (Referendum) হলো- রাষ্ট্রের কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বা সিদ্ধান্তে সরাসরি জনগণের মতামত নেওয়ার একটি পদ্ধতি। সাধারণ নির্বাচন প্রতিনিধি বাছাই নয়; বরং নির্দিষ্ট একটি প্রশ্নে জনগণ “হ্যাঁ” বা “না” ভোট দিয়ে সিদ্ধান্ত জানায়।
উদাহরণ:
সংবিধান সংশোধন
রাষ্ট্রব্যবস্থার বড় পরিবর্তন
গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সিদ্ধান্ত
গণভোট কিভাবে দেওয়া যায়?
গণভোট সাধারণত এভাবে অনুষ্ঠিত হয়—
১. সরকার গণভোট ঘোষণা করবে
সংবিধান বা আইনের আলোকে সরকার বা রাষ্ট্রপতি গণভোটের ঘোষণা দেন।
২. নির্দিষ্ট প্রশ্ন নির্ধারণ
একটি বা একাধিক পরিষ্কার প্রশ্ন নির্ধারণ করা হয়।
যেমন: “আপনি কি প্রস্তাবিত সংবিধান সংশোধনের পক্ষে?”
৩. ভোটার তালিকা প্রস্তুত
জাতীয় নির্বাচনের মতোই ভোটার তালিকা ব্যবহার করা হয়।
৪. ভোটগ্রহণ পদ্ধতি
ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ব্যালট পেপারে
অথবা ইভিএমের মাধ্যমে
ভোটার হ্যাঁ / না ভোট দেন।
৫. ভোট গণনা ও ফল ঘোষণা
ভোট শেষে গণনা করা হয় এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামত অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বাংলাদেশে গণভোটের বিধান
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪১(খ) অনুচ্ছেদে গণভোটের কথা উল্লেখ আছে। তবে বাস্তবে বাংলাদেশে এখনো গণভোট আয়োজন হয়নি।
সংক্ষেপে বললে
গণভোট = জনগণের সরাসরি মতামত
ভোট = হ্যাঁ / না
উদ্দেশ্য = বড় জাতীয় সিদ্ধান্তে জনগণের রায়



