
বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেছেন, পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ করা না গেলে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে সংকট তৈরি হবে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি কৌশল নেওয়া হয়েছে, যা মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে কার্যকর করা হয়েছে। এর ফলে বুধবার সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে আশা করছেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে-এ বিষয়ে কোনো দ্বিমত নেই। এ জন্য সরকার বারবার জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে অনেক সময় কিছু করার থাকে না। প্রকৃতি স্বাভাবিক হলে গ্যাস খালাস করা সম্ভব হবে এবং তখন গ্যাস সরবরাহও স্বাভাবিক হবে।
তিনি জানান, গ্যাস সংকট মোকাবিলায় মালয়েশিয়ার সঙ্গে বৈঠক হয়েছে এবং বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধিদলও সেখানে গেছে। মালয়েশিয়ার দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে কাজ চলছে। তাদের কাছ থেকে অন্তত এক কার্গো এলএনজি পাওয়ার আশা করছে সরকার। এটি সংকট মোকাবিলায় একটি মধ্যমেয়াদি সমাধান হতে পারে।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, সরকারের হাতে থাকা সব বিকল্প নিয়েই কাজ করা হচ্ছে। তবে সার্বিকভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি কবে পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে, তা নির্দিষ্ট দিনক্ষণ দিয়ে বলা সম্ভব নয়। জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে এবং চেষ্টার কোনো ঘাটতি নেই।
এলএনজি সরবরাহের বিষয়ে ইউএস-বাংলাদেশ চেম্বারের কাছেও সহায়তা চাওয়া হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, আগের সরকারগুলো মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের দিকে না গিয়ে তাৎক্ষণিক সমাধানের পথে এগিয়েছে। এর ফলে একসময় এমন সংকটের মুখোমুখি হতে হয়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে গ্রীষ্মকালেই এই সংকট দেখা দিয়েছে।
তথ্যসূত্র: যুগান্তর

