শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’ এগোচ্ছে গিনেস রেকর্ডসের পথে

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের জন্য নির্দেশিত পথে হাঁটছে ‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’র কার্যক্রম। গত বৃহস্পতিবার বগুড়ার শেরপুরে শস্য রোপণ কার্যক্রম শেষ হয়েছে। দশ দিনের মধ্যেই বঙ্গবন্ধুর মুখচ্ছবি সেখানে ফুটে উঠবে। একুশে ফেব্রুয়ারির মধ্যেই গিনেস কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সব ডকুমেন্ট পাঠানো হবে।
শুক্রবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’ কার্যক্রম নিয়ে কৃষিবিষয়ক সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানানো হয়।
কৃষক লীগের সভাপতি সমীর চন্দ্র চন্দের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু বাস্তবায়ন জাতীয় পরিষদের আহ্বায়ক ও প্রধান সমন্বয়ক এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।
ধানের চারায় জাতির পিতার চিত্র ফুটিয়ে তোলার কাজ চলছে বগুড়ার শিবগঞ্জের শেরপুর উপজেলার বালেন্দা গ্রামে। এটা বিশ্বের সবচেয়ে বড় শস্যচিত্র হিসেবে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান করে নিতে পারবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা।
মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু বাস্তবায়ন জাতীয় পরিষদ দুই মাস আগে ১০৫ বিঘা জমিতে এই কাজের প্রস্তুতি শুরু করে। কোনো নেতার গিনেস বুকের ‘লার্জেস্ট ক্রপ ফিল্ড মোজাইক (ইমেজ)’ শাখার নতুন রেকর্ড হবে এটি। বর্তমানে রেকর্ডটি চীনের দখলে। ১৯১৯ সালে ৭৯ হাজার ৫০৫.১৯ বর্গমিটার আয়তনের জমিতে চার রঙের ধানের চারায় কাউ ফিশের ছবি ফুটিয়ে তুলে সাংহাইয়ের লেজিদাও ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিডেট ওই রেকর্ড গড়েছিল।
সভায় বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, আশা করছি ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনে আমরা নতুন এ বিশ্ব রেকর্ড অর্জন এবং উদযাপন করতে পারব।
তিনি বলেন, বিদেশ থেকে বীজ এনেছি। গিনেস কর্তৃপক্ষ নির্দেশিত পথে আমরা চলছি। পূর্বের সব রেকর্ড সম্পর্কে আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে। আমাদের আয়োজন বিশ্বের সর্ববৃহৎ এবং কোনো নেতার প্রথম এত বড় মুখচ্ছবি। বিশ্ববাসীর কাছে আমরা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে এ আয়োজন স্মরণীয় করে রাখতে চাই। মুজিববর্ষে সেরা আয়োজন উপহার দিতে চাই। এ কার্যক্রমে প্রায় দেড় কোটি টাকা খরচ হবে বলে জানিয়েছে ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার।



