কান্নায় ভেঙে পড়লেন হাসনাত আবদুল্লাহ, কাঁদালেন হাজারো মানুষকে

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর কান্নার একটি ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হয়ে কাঁদিয়েছে হাজারো মানুষকে। নাটোরে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় আবেগে ভেঙে পড়েন তিনি।
‘দেশ গড়তে এনসিপির জুলাই পদযাত্রা’র সপ্তম দিনে সোমবার (৭ জুলাই) দুপুরে শহরের মাদ্রাসা মোড়ের স্বাধীনতা চত্বরে বর্ণাঢ্য পদযাত্রা ও পথসভা শেষে বিকেলে শহরের একটি রেস্টুরেন্টে জুলাই আন্দোলনে শহীদ হওয়া নাটোরের আটজনের পরিবার ও আহতদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এনসিপি নেতারা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারী, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, নাহিদা শারওয়ার নিভা, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, কেন্দ্রীয় সদস্য আসিফ মোস্তফা জামাল, নাটোর জেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যক্ষ জার্জিস কাদির ও সিনিয়র যুগ্ম সমন্বয়কারী নাটোর চেম্বার সভাপতি আব্দুল মান্নাফসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
মতবিনিময়ের সময় শহীদ পরিবারের সন্তান হারানোর করুণ গল্প শুনে আবেগে অঝোরে কাঁদতে থাকেন হাসনাত আবদুল্লাহ। বিশেষ করে ৫ আগস্ট নিহত শহীদ কলেজছাত্র মিকদাদ হোসেন খান আকিবের পিতা নাটোর সিটি কলেজের অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন খানের সঙ্গে কথা বলার সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। একপর্যায়ে তাকে জড়িয়ে ধরেন এবং অনেকক্ষণ ধরে কান্না করতে থাকেন।
সোমবার রাত থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই আবেগঘন মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। শত শত মানুষ তা শেয়ার করেন এবং মন্তব্যের ঘরে জানান গভীর শ্রদ্ধা ও সহানুভূতি। কেউ কেউ লিখেছেন, “যে মানুষ অন্যের দুঃখে এভাবে কাঁদেন, তিনি কখনো খারাপ মানুষ হতে পারেন না।”
অনেকে এই দৃশ্যকে একজন মানবিক রাজনৈতিক নেতার সত্যিকারের প্রতিচ্ছবি বলেও আখ্যায়িত করেছেন।



