
আগের ম্যাচে মাত্র ১৩১ রানে অলআউট হওয়া বাংলাদেশের সামনে এবার প্রায় দুইশ রানের বড় লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে পাঁচ উইকেটে ১৯৬ রান সংগ্রহ করেছে সফরকারীরা।
অস্ট্রেলিয়ার বড় সংগ্রহের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান রাখেন ম্যাট রেনশ ও টিম ডেভিড। চতুর্থ উইকেটে তাদের ৯৭ রানের দুর্দান্ত জুটি বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চাপ তৈরি করে। চার নম্বরে নেমে রেনশ অপরাজিত ৮৯ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলেন, যা আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তার ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস। এর আগে তার সর্বোচ্চ ছিল ৬৫ রান।
তবে শুরুটা বাংলাদেশের জন্য ছিল দারুণ। পাওয়ারপ্লেতে অস্ট্রেলিয়ার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে মাত্র ৪৪ রানে আটকে রাখে স্বাগতিকরা। জশ ইংলিস ১১, কুপার কনোলি ১ এবং অধিনায়ক মিচেল মার্শ ২০ রান করে আউট হন। নাসুম আহমেদ, নাহিদ রানা ও মোস্তাফিজুর রহমান একটি করে উইকেট শিকার করেন।
শুরুর ধাক্কা সামলে রেনশ ও ডেভিড পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন। রিশাদ হোসেনের এক ওভারে ২১ এবং আবদুল গাফ্ফার সাকলাইনের এক ওভারে ১৯ রান তুলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেন তারা। দলীয় ১৪১ রানের সময় ডেভিড আউট হওয়ার আগে ২৬ বলে ৪৫ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন।
ডেভিড ফেরার পরও থামেননি রেনশ। জোয়েল ডেভিসকে সঙ্গে নিয়ে আরও ৪২ রানের জুটি গড়ে দলের স্কোরকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যান। ৫২ বলে ৮৯ রানের অপরাজিত ইনিংসে তিনি মারেন ৪টি চার ও ৫টি ছক্কা। ডেভিস করেন ১৩ রান।
বাংলাদেশের হয়ে মোস্তাফিজুর রহমান শেষ ওভারে ১৮ রান খরচ করলেও তার আগের তিন ওভারে মাত্র ১৬ রান দিয়েছিলেন। শেষ দিকে রান খরচ বেড়ে যাওয়ায় অস্ট্রেলিয়া ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে।
এখন ম্যাচ জিততে বাংলাদেশকে করতে হবে ১৯৭ রান। সিরিজে টিকে থাকতে স্বাগতিকদের ব্যাটারদের সামনে অপেক্ষা করছে কঠিন পরীক্ষা।