
শীতকালে বাতাস ঠান্ডা ও শুষ্ক থাকায় অনেকের চুল রুক্ষ হয়ে যায়, খুশকি বাড়ে এবং চুল পড়তে শুরু করে। তবে একটু নিয়ম মেনে চললেই এসব সমস্যা কমানো যায়।
নিয়মিত তেল দিন
সপ্তাহে ২-৩ দিন নারিকেল তেল বা অলিভ অয়েল চুলে লাগান। খুশকি বেশি হলে তেলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা নিম তেল মেশাতে পারেন। তেল দিয়ে ৩০-৬০ মিনিট রেখে হালকা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
ঠিকভাবে চুল ধোবেন
সপ্তাহে ২-৩ বার চুল ধোয়া যথেষ্ট। খুব গরম পানি ব্যবহার করবেন না, এতে মাথার ত্বক আরও শুকিয়ে যায়। কুসুম গরম বা ঠান্ডা পানি ভালো।
ভালো শ্যাম্পু ব্যবহার করুন
হার্বাল বা সালফেটমুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করলে ভালো হয়। খুশকি বেশি হলে অ্যান্টি-ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন। শ্যাম্পু করার সময় মাথার ত্বকে হালকা করে ম্যাসাজ করুন।
পুষ্টিকর খাবার খান
ডিম, মাছ, ডাল, শাকসবজি ও ফলমূল চুলের জন্য ভালো। শীতেও পানি কম খাবেন না, এতে চুল ও ত্বক ভালো থাকে।
ঘরোয়া যত্ন নিন
সপ্তাহে একদিন দই ও লেবুর রস, অথবা অ্যালোভেরা জেল মাথায় লাগাতে পারেন। এতে খুশকি কমে এবং চুল নরম হয়।
যেসব অভ্যাস এড়িয়ে চলবেন
ভেজা চুলে ঘুমানো, অতিরিক্ত হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার এবং বেশি কেমিক্যাল জেল বা স্প্রে ব্যবহার করা ঠিক নয়।
শীতের বাতাস থেকে চুল বাঁচান
বাইরে বের হলে মাথা ঢেকে রাখুন, এতে ঠান্ডা বাতাস ও ধুলোবালি থেকে চুল রক্ষা পায়।
কখন ডাক্তার দেখাবেন
চুল খুব বেশি পড়লে, মাথায় চুলকানি বা ঘা হলে, বা অনেক দিনেও খুশকি না কমলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
মনে রাখবেন: নিয়মিত যত্ন নিলেই শীতেও চুল থাকবে সুস্থ, ঝলমলে ও খুশকিমুক্ত।



