জাতীয়

নামজারি: ৭ ডকুমেন্ট থাকলে আপত্তি করবে না এসিল্যান্ড

ছবি: সংগৃহীত

জমির মালিকানা হালনাগাদ বা নামজারির জন্য প্রতি বছর অসংখ্য মানুষ আবেদন করেন। তবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় অনেকের আবেদন এসিল্যান্ড কর্তৃপক্ষের কাছে ‘নামঞ্জুর’ বা ‘স্থগিত’ হয়ে যায়। এতে ভোগান্তি ও দুশ্চিন্তায় পড়তে হয় আবেদনকারীদের। অথচ আগেই প্রয়োজনীয় দলিলপত্র সংগ্রহ করে রাখলে নামজারির প্রক্রিয়াটি সহজ ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব।

নামজারি মানে হলো পূর্ববর্তী মালিকের থেকে বর্তমান মালিকের নামে জমির খতিয়ান হালনাগাদ করা। এটি আইনগত বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়া, যা ছাড়া জমির প্রকৃত মালিকানা প্রতিষ্ঠা করা যায় না। জমি ক্রয়, দান, হেবা, উত্তরাধিকার কিংবা আদালতের রায়—যে পথেই মালিকানা আসুক না কেন, স্বীকৃতি পেতে হলে নামজারি আবশ্যক।

নতুনভাবে নামজারি করতে হলে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র জমা দিতে হবে। এগুলোর যেকোনো একটি না থাকলে আবেদন স্থগিত হয়ে যাবে এবং নতুন করে সংগ্রহের ঝামেলায় পড়তে হবে।

এই সাতটি আবশ্যক কাগজপত্র হলো—

১. জমির মূল দলিল (ক্রয়, দান, হেবা, উত্তরাধিকার ইত্যাদি)।২. আগের মালিকের বায়া দলিল বা দলিলের কপি। ৩. সর্বশেষ রেকর্ড খতিয়ান (আরএস, বিআরএস ইত্যাদি)। ৪. ভূমি উন্নয়ন করের দাখিলা রসিদ (ডিসিআর)। ৫. আবেদনকারীর পাসপোর্ট সাইজ ছবি। ৬. আবেদনকারীর ব্যক্তিগত ও সচল মোবাইল নম্বর। ৭. উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত হলে আপোষ বণ্টননামার দলিল বা আদালতের রায়।

এসব দলিলপত্র সঠিকভাবে জমা দেওয়া হলে এসিল্যান্ড অফিস থেকে কোনো আপত্তি তোলা হবে না এবং স্বল্প সময়েই নামজারি সম্পন্ন হবে। কিন্তু কোনো কাগজপত্রে ঘাটতি থাকলে আবেদন ফেরত যাবে এবং সময়ক্ষেপণ হবে।

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নামজারি মানেই সরকারি খতিয়ানে মালিকানার চূড়ান্ত স্বীকৃতি। এটি ছাড়া জমির দাবি ভবিষ্যতে প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। তাই দেরি না করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে নির্ভুলভাবে নামজারির আবেদন করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

তথ্যসূত্র: জনকন্ঠ

এই বিভাগের অন্য খবর

Back to top button