
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তাঁর মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
শায়রুল কবির খানের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তারেক রহমানের নাম ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এদিকে রোববার (২৮ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ শাখা থেকেও এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এর আগে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে গিয়ে ভোটার হিসেবে নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন তারেক রহমান। সেদিনই বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, তিনি ভোটার হচ্ছেন—এ জন্য নির্বাচন কমিশনও আগেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে।
বিএনপি মিডিয়া সেল জানায়, আঙুলের ছাপ, চোখের মণির (আইরিশ) প্রতিচ্ছবি ও অন্যান্য বায়োমেট্রিক তথ্য দেওয়ার পর তারেক রহমানের এনআইডি পেতে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এস এম হুমায়ুন কবীর।
উল্লেখ্য, ২০০৭–২০০৮ সালে দেশে প্রথমবারের মতো ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা হয়। ২০০৮ সালে কারামুক্তির পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তারেক রহমান লন্ডনে যান এবং এরপর আর দেশে ফিরতে না পারায় সে সময় ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারেননি। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান দেশে ফিরে ভোটার তালিকায় নাম লেখান। এর আগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ২০০৮ সালের ২৯ নভেম্বর ক্যান্টনমেন্টের ঠিকানায় ভোটার হন।
তথ্যসূত্র: যুগান্তর



