
নেইমার বিশ্বকাপে খেলার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন। ব্রাজিলের নতুন কোচ কার্লো আনচেলত্তি তার প্রাথমিক ৫৫ সদস্যের দলে নেইমারকে রেখেছেন। আগামী ১৮ মে চূড়ান্ত দল ঘোষণা করা হবে।
এর আগে আনচেলত্তি স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন, শারীরিক ও প্রতিযোগিতামূলকভাবে যারা সেরা অবস্থায় থাকবেন, শুধুমাত্র তাদেরই দলে নেওয়া হবে। ব্রাজিলের সর্বশেষ প্রীতি ম্যাচের দলে ছিলেন না নেইমার। তখন তিনি গুরুতর চোট কাটিয়ে পুরোপুরি মাঠে ফেরেননি।
তবে এবার পরিস্থিতি বদলে গেছে। শৈশবের ক্লাব সান্তোস-এ ফিরে আবারও নিজের সেরা ছন্দে দেখা যাচ্ছে তাকে। ১২ ম্যাচে করেছেন ৫ গোল ও ৩ অ্যাসিস্ট। ব্রাজিলিয়ান লিগে সান্তোসের উন্নতির পাশাপাশি কোপা সুদামেরিকানাতেও দলটির ভালো পারফরম্যান্সে বড় ভূমিকা রাখছেন তিনি।
ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম ও গ্লোবোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেইমারের এই পারফরম্যান্সই তাকে বিশ্বকাপের প্রাথমিক দলে জায়গা করে দিয়েছে।
নেইমারের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনে খুশি ব্রাজিল দলের সতীর্থরাও। রাফিনিয়া সম্প্রতি বলেছেন, “নেইমারকে পাশে পাওয়া সব সময়ই ভালো বিষয়।” তিনি চান নেইমার আবার জাতীয় দলে নেতৃত্ব দিন।
এমনকি লিওনেল মেসিও আগে মন্তব্য করেছিলেন, বড় আন্তর্জাতিক আসরে নেইমার থাকলে ফুটবল আরও উপভোগ্য হয়ে ওঠে।
তবে এখনও চূড়ান্ত দল নিশ্চিত হয়নি। শেষ কাটছাঁটে টিকে গেলেই বিশ্বকাপে খেলা নিশ্চিত হবে নেইমারের। সেটি হলে এটি হবে ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার চতুর্থ বিশ্বকাপ।
জাতীয় দলে নেইমারের শেষ ম্যাচ ছিল ২০২৩ সালের ১৮ অক্টোবর। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে উরুগুয়ে জাতীয় ফুটবল দল-এর বিপক্ষে সেই ম্যাচেই গুরুতর হাঁটুর চোটে পড়েন তিনি। ওই চোট তাকে প্রায় এক বছর মাঠের বাইরে রেখেছিল।
আন্তর্জাতিক ফুটবলে নেইমারের প্রত্যাবর্তনকে সবচেয়ে প্রতীক্ষিত ঘটনাগুলোর একটি হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখন তার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো শারীরিক সক্ষমতা ও প্রতিযোগিতামূলক ছন্দ ধরে রাখা। কারণ আসন্ন বিশ্বকাপই হতে পারে ব্রাজিলের জার্সিতে তার ক্যারিয়ারের শেষ বড় অধ্যায়গুলোর একটি।
তথ্যসূত্র: যুগান্তর



